Contact

Name

Email *

Message *

Tuesday, January 12, 2016

সন্তান নীতির উপর করে সঞ্চয় ও ভোগের পরিধি



‪‎ সন্তান নীতির উপর চাহিদা ও সঞ্চয় পরিধি কেমন হবে তা নির্ভর করে।

চীনে, ১৯৭০ সালে যেখানে ছিল প্রতিপরিবারে ৩ জন সন্তান, সেখানে এক সন্তান নীতির পর ১৯৮২ সালে এসে দাড়িয়েছে এক-এ।
যার ফলে ১৯৭০ এর তুলনায় ১৯৮২ সাল থেকে চীনে সামগ্রিক চাহিদা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে শুরু করলো।
শিক্ষা, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, বিনোদন ইত্যাদির ক্ষেত্রে ব্যয় কমে গেল, ফলশ্রুতিতে তাদের অতিরিক্ত ব্যয় সঞ্চয়ে পরিনত হয়েছে। যার ফলে চীনে ব্যক্তিগত সম্পদের পাহাড় হয়ে গেছে। সর্বপরি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সংগঠিত হয়েছে। চীন এখন বিশ্বদর্বারে মাথা উচু করে দাড়িয়েছে।
কিন্তু সমস্যা হলো, এক সন্তান নীতির ফলে চিনের বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে, যুবক ও কিশোরের সংখ্যার তুলনায়।
কিন্তু চীন উৎপাদনের দিক থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের থেকে এগিয়ে আছে।
তবুও নিজ দেশের ভোক্তাদের অধিক সঞ্চয়ের ফলে তাদের উৎপাদনকিত পন্য চীনের মাটিতে কম ভোগ/বিক্রি হচ্ছে। যার ফলে চীনের স্থানীয় ব্যবসায়ীররা ক্ষতির স্বীকার হচ্ছিল।
তখন চীন সরকার রপ্তানিকৃত পন্যের উপর কর কমিয়ে দিলো।
যার ফলে, বিশ্ববাজার আজ চীনের দখলে।
চীন আজ বিশ্বের অর্থনীতির চাকাটা নিয়ন্ত্রন করতেছে।
যেমন : কিছুদিন ধরে বলাবলি হচ্ছে, চীন স্বর্ণ বাজারে কিছু অতিরিক্ত স্বর্ণ ছেড়ে দিবে, যার ফরে স্বর্ণের বাজারে দস নামবে।
আজ চীন সরকার চাইছে যে, তাদের পন্য তারা ভোগ করবে। তাই তারা দেশটিতে *দুই সন্তান নীতি চালু করেছে।
কারন পরিবারে একটি সন্তানের আগমন মানে সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন, ভোগের রেখাটি অনেকাংশে উপরে উঠবে।
বাস্তব কথা, আমাদের বাংলাদেশে এসব নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই।
একটি দিনমজুরের প্রতিদিনের উপার্জন ৩০০ টাকা সত্বেও তার ঘরে ৫/৬ টা সন্তান।
সে কিভাবে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। বরং পরিবারের অধিক চাহিদার দরুন সে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে।
আমাদের (সরকার/সাধারন জনগণ) ভোগের পরিমান এত বেশি যে, যার ফলশ্রুতিতে সুদের পরিমান বাড়তেছে ক্রমান্বয়ে।
যার ফলে বেসরকারি বিনোয়োগ কমে যাচ্ছে দিন দিন।
সরকারের সচেতনতার অভাবে দেশ দিনদিন রসাতলে যাচ্ছে।
সরকারকে নতুন নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে এখনি ভাবা উচিত।
না হলে মূল্যস্ফিতি/মুদ্রাস্ফীতি , আমাদের মাথার উপরে উঠে যাবে একদিন।
তথ্য সংগ্রহঃ কোই জিন, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের অর্থনীতির অধ্যাপক

No comments:

Post a Comment